রোহিঙ্গা এলাকায় ১৩ ঘণ্টা থ্রিজি-ফোরজি বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টারস্টাফ রিপোর্টার
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:৫২ পিএম, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির গুলোতে  প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে পরদিন ভোর ৬ পর্যন্ত ১৩ ঘণ্টা থ্রিজি, ফোরজি সেবা বন্ধ থাকবে।

এই নির্দেশনার ফলে ওই সময়ে ওই এলাকায় টুজি সেবা চালু থাকায় ভয়েস কল করা গেলেও ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে না। তবে ভোর ৬টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের মোবাইল সেবা পাবেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।

শরণার্থী শিবিরগুলো টেকনাফ ও উখিয়ায় হওয়ায় কক্সবাজারের এই দুই উপজেলার বাসিন্দাদের জন্যও টেলিযোগাযোগ সেবা সীমিত হলো।

বর্তমানে শরণার্থীশিবিরগুলোয় ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে রয়েছে। সেখানে বসবাসরত স্থানীয় বাসিন্দার সংখ্যা তার এক-তৃতীয়াংশ।

রোহিঙ্গারা যাতে মোবাইল ফোনের সুবিধা না পায়, তা সাত দিনের মধ্যে নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সব মোবাইল অপারেটরকে ‘জরুরি’ নির্দেশনা দেয়ার একদিন পরই টেলিযোগাযোগ সেবা সীমিত করার নির্দেশনা দেয়া হলো।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা অপারেটরদের পাঠানো হয়েছে এবং মোবাইল ফোন অপারেটররা সেটি কার্যকর করছে।’

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের অনিবন্ধিত সিম বিক্রি বেআইনি। আর মোবাইল সিম নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন হয় জাতীয় পরিচয়পত্র। নির্বাচন কমিশনে সংরক্ষিত জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে আঙ্গুলের ছাপ মেলানোর পর ‘বায়োমেট্রিক’ নিবন্ধনের কাজ শেষ হয়।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের মানুষের কাছে থেকে সিম নিয়েই রোহিঙ্গারা মোবাইল ব্যবহার করছে। কীভাবে এ সিমগুলো তাদের হাতে গেল, এ বিষয়টি অপারেটররা দেখছে।

কিন্তু কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকা সাড়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গার একটি বড় অংশের হাতে মোবাইল ফোন রয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে বিভিন্ন সময়ে।

এসব অবৈধ মোবাইল সিম চাঁদাবাজি, মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র এমনকি পাসপোর্টও করিয়েছেন বলে ইতোমধ্যে বেরিয়ে এসেছে।

জিএসনিউজ/এমএইচএম/এমএআই

আপনার মতামত লিখুন :