হাসুন প্রাণ খুলে
জিএস ডেস্ক:>>>
এক লোক বিয়ে করেছেন, তার বউয়ের কোন ভাই-বোন আছে না কেন বেচারার শ্বশুর বাড়ি শালা-শালিতে কেউ কেউ না। গৃহপালিত গৃহপালিত ঘর এ জন্য তিনি সহজে পারতপক্ষে শাবশবাড়ী যান না
শাব্বুর-শাশুড়ী এযনে খুব দুঃখ বোধ করে, তাদের একমাত্র মেয়ের জাগ্রত বেড়াতে আসেনা — তারা তাদের কাছে অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে গেছে।
শ্বশুর মশায় খুব বিচক্ষণ এবং চতুর ছিল অনেক ভেবেচিন্তে একদিন তিনি স্ত্রীকে বলেছিলেন, “আমি বাজার-সওদার সাথে আনাই, জামাই আজকে আমাকে ডায়ায়েত দিবে।” আমি যেটা বলবো, তুমি সেভাবে করবে।
আয়োজন করা হয়, জামাইকে যথাযথভাবে দাওয়াত দেওয়া হয়।
জামাই মিয়া অনির্বাণে এলো কুশলাদি বিনিময়ের পর শ্বাসরুমে জামাই খাই ডাক
খেতে এসেছিল এবং দেখতাম, বড় এক প্লেট সব সাজিয়ে শশুর মশায় এবং জামাই একসাথে খাওয়াতে দেওয়া হয়েছে। শশুর মশায় তার অপেক্ষা
আপ্যায়নের নতুন রীতি দেখে একটু বিস্মত হলেও জামাই শশুরের সাথে একত্রে খাওয়া বসা। শস্য মাংসা মুরগি-মাংস-মাছ সব কিছু বাছা বাছা বড় বড় টুকরাোগুলো নিজ চোখে টেনে নিয়ে গেছেন। জামাই বেচেরা লজ্জ্বা কিছু বলতে বা করতে পারছেন না, ভালভাবে খেয়েও পারল না
খাইবার প্রথম পালা এভাবে শেষ হলে শাসুড়ী সেই প্লেটেই দই, চিনি, ভাত সাজিয়ে ডাহা।
এতক্ষণে জামাই মিয়া শশুরের চলাফেরত এবং মানসিকতা কিছুটা বোঝে। পাশে পেটে ক্ষুধা এ পর্যায়ে জামাই শশুরের উদ্দেশ্য ছিল, “আব্বাজান, দুই এক বিষয় আপনার কাছে জানানো প্রয়োজন মনে করি।
” আপনার কথা বলার আগেই তিনি বলি তার দিকে এগিয়ে আসেন। টেনে কিছু ভাত শশুরের দিকে ঠেলে দিলো।) এবং সে বললে এদিকে আসো, সে যায় ওদিকে। (এখন দেখবে আরও কিছু ডেই-চিনি টানেলো, ভাত ঠেলে দিলো।) চতুর শশুর মশায় জামাই বাব জীর মতলব বুঝলেন। তিনি বললেন, “বাবা, এ হলো কলি কাল। সব সময় এভাবে মিল্লেমিসে থেকো “(বলি দেখি ছালে তিনি সবটুকু দই-চিনি ভাত সাথে মখলে ফেলেন।)
জামাই বাজী তখন থেকে এভাবে শশুর-বাড়ি সম্পর্কে ধারণা পাল্টে গেছে।



