জামায়াত বিএনপির ৯ নেতা কারাগার থেকেই প্রার্থী
স্টাফ রির্পোটারঃ>>>
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে বিভিন্ন দলের ১৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা বিএনপি-জামায়াতের ৯ জন প্রার্থীও ৮টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
কারাবন্দি নেতাদের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ৭ জন, জামায়াতের ২ জন। তারা কারাগারের জেল সুপারের মাধ্যমে চট্টগ্রাম রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, ১৬টি আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে ১১ জন, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে ১৩ জন, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে ৮ জন, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ১১ জন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ১৪ জন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে ৪ জন, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে ১২ জন, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে ১৩ জন, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে ১২ জন, চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, খুলশী, হালিশহর) আসনে ১৩ জন, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ১৪ জন, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ১২ জন, (চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে ১৩ জন, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে ৮ জন ও চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে ১০ জন। কারাগার থেকে মনোনয়নপত্র জমাদানকারীরা হলেন- চট্টগ্রাম-১ বিএনপির শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৩ বিএনপির বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম-৪ বিএনপির আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও কুতুব উদ্দিন বাহার, চট্টগ্রাম-৮ স্বতন্ত্র শরীফ উদ্দিন খান, চট্টগ্রাম-৯ বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ স্বতন্ত্র হিসেবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৫ স্বতন্ত্র হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আ ন ম শামসুল ইসলাম। এর মধ্যে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, আ ন ম শামসুল ইসলাম ও শাহজাহান চৌধুরী সাবেক সংসদ সদস্য। এছাড়া ২০০৮ সালে সীতাকুণ্ড থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন আসলাম চৌধুরী।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক ইদ্রিস আলী জিএস নিউজকে বলেন, কারাগার থেকে মনোনয়নপত্র জমাদানকারীদের মধ্যে বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন। তাদের এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে তারা বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গায়েবি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে, যাতে তারা নির্বাচনে অংশ না নেয়। তাই বাধ্য হয়েই তারা কারাবন্দি অবস্থায় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।



