জিয়া মহিলা কলেজ হিজাব পড়ে পরীক্ষা দিতে যাওয়ায় ছাত্রীদের কটাক্ষ করলেন অধ্যক্ষ !!
ব্লগ থেকেঃ>>>>
জিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হিজাব পড়ে পরীক্ষা দিতে যাওয়ায় ছাত্রীদের পরীক্ষার হলে লাঞ্ছিত করছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক পরীক্ষার্থী।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ মুন্না নামের ঐ শিক্ষার্থী ফেজবুক গ্রুফে এই অভিযোগ করেন। জিএসনিউজ পাঠকদের জন্য স্টাটাসটি হবুহ তুলে ধরা হলঃ-
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমরা ফেনী কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার হল করা হয় জিয়া মহিলা কলেজে। প্রত্যেক পরীক্ষায় একটি বিষয় মুখ বুঝে সহ্য করলেও প্রতিবাদ ছাড়া বিকল্প পথ খুজে পাচ্ছিনা।
যেহেতু ফেনী কলেজ ছাত্রছাত্রী উভয়ের জন্য উন্মুক্ত, তাই ছেলে মেয়ে এক সাথেই পরীক্ষা দিতে হয়। প্রতি পরীক্ষায় একটা বিষয় খেয়াল করলাম, জিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মেডাম, প্রতি পরীক্ষায় হলে আসেন মধ্যবর্তী কিংবা শেষ সময়ে। আমি প্রায়শই খেয়াল করেছি, ওনি রুমে আসার পর মেয়েদের চেহারা খুলে পরীক্ষা দিতে বলেন। অনেক বোন বিষয়টি ইতস্তবোধ করেন। কিন্ত ০১/১২/১৮ তে মেডাম সরাসরি এমন কিছু বাক্য উচ্চারণ করেছেন যা আপনাদের সাথে শেয়ার না করে পারলাম না।
বাক্য গুলো এমন ছিলো,
।
এখানে কোন পর্দা চলবেনা, পর্দা আপনাদের কলেজে দেখাবেন।
যারা এখনো চেহারা খুলেনি তাদের খাতা নিয়ে ৩০ মিনিট দাড় করিয়ে রাখবো।
পর্দা করে এদিক সেদিক ওকি মেরে আর কি লাভ?
এখানে কোন পর্দা চলবেনা।
।
আমরা জানি,
পরিদর্শক খাতায় সাইন করার আগে তিনি চাইলে চেহারা মিলিয়ে নেন। এতে কারো দ্বিমত নেই, থাকার কথাও না। আমার অনেক বোন পর্দা করে ওনার এমন কথা ও হলে এমন আচরণ আইনত দণ্ডনীয় আমরা যদি চুপ থাকি ওনি আরো লাগামহীন কথা বা কাউকে অপমান করতে ধিদা করবেন না। যদি কেউ পর্দা করতে না চায় তাহলে তাকে যেমন জোর করে পর্দা করানোর অধিকার নেই তেমন কেউ পর্দা করতে চাইলে তাকে জোর করে পর্দা ভাঙ্গানোর অধিকার কারো নেই।
কলেজ কর্তৃপক্ষ যদি আপত্তি করে তাহলে ছেলে ও মেয়েদের আলাদা হল করে ও করতে পারে, সেখানে মহিলা শিক্ষিকা দ্বারা হিজাব খুলে পরীক্ষা নিতে পারে। তা নাকরে শুধু হিজাব পড়া মেয়েদের আক্রমণ আমার পর্দানশিন বোন দের আঘাত করবে বলে মনে করি।
।
ঘটনা, ০১/১২/১৮
জিয়া মহিলা কলেজ
বিজ্ঞান ভবন ৪০২ নং হল।
স্ট্যাটাস লিংকঃ https://www.facebook.com/groups/165234150633616/permalink/540450853111942/



