আম শরীরের উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়
স্টাফ রিপোর্টার:>>>
বাংলাদেশে আমম মৌসুম মে থেকে আগস্ট-এই তিন মাস। এই সময়ের মধ্যে দেশ দুটি মানুষ গড়ে তিন কেজি করে আম খাই। পাকা-মিষ্টি আমের পুষ্টিগুণ অনেক, এটি কমবেশি সবার জানা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রথমবারের মত জানতে পারে, তাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের জন্য কতটা উপকারী আম।
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বলছেন, আমাজন রক্তচাপ কমেতে ভূমিকা রাখে। মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া (পোস্ট মেনুপোসেল) ২৪ জন সুস্থ্য স্বাস্থ্যের অধিকারী নারীদের নিয়ে একটি গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া যায়। গবেষকরা বলছেন, হৃদরোগের ঝুঁকি কমেতে কার্যকর এই ফল।
আমেরিকা ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের গবেষকরা তারা দেখেছেন, আম খেজারে প্রায় দুই ঘণ্টা পরে রক্তনালী শুথিল হয়ে গেছে। এটাই রক্তচাপ কমার কারণ গবেষকরা বলছেন যে এরা আরও একটি উপকারের কথা বলে। এটা হল, আম খেতে পরে অন্তরা আরো সক্রিয় হয়।
হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে অ্যাম কার্যকারিতা সম্পর্কে বিশ্বের প্রথম গবেষণা অক্টোবরে আমেরিকান সোসাইটি ফর নিউট্রিশন বার্ষিক সম্মেলন (নিউট্রিশন -২০১৮) গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। এই গবেষণায় আর্থিক সহায়তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল মেঙ্গো বোর্ড ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।
গবেষকরা বলছেন, আমে কারবালিক অ্যাসিডের মিশ্রণটি আছে। যা স্বাস্থ্য সুরক্ষার সম্ভাব্য উপকরণ। গবেষকরা মনে করেন, আমে থাকা সক্রিয় যৌগ স্বাস্থ্যের ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ফরমকোলোজি বিভাগের অধ্যাপক সাইদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আমার গবেষণায় ফলাফলগুলি অবশ্যই অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলছেন, বয়স্কদের কারনে তাদের মাসিক স্বাভাবিক কারণে বন্ধ হয়ে যায়, তাদের দেহে হরমোনজনিত পরিবর্তন ঘটে। মাসিক বন্ধ হওয়া নারীদের রক্তচাপ বেশি হলে প্রবণতা থাকে।
বিভিন্ন শস্য, শাকসব্জী ও ফলের পুষ্টিগুণ নিয়ে গবেষণা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নাজমা শাহীন। তিনি বলেন ,, আমেরিকার রাসায়নিক হরমোনজনিত প্রভাব আছে, যা গ্রন্থি, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ প্রতিরোধের ভূমিকা রাখে।
পদ্ধতি এবং ফলাফল
মাসিক বন্ধ করা ২৪ জন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী নারীদের দৈনিক ৩৩০ গ্রাম মিষ্টি আম খেতে দেওয়া হবে। গবেষণার জন্য পরপর ১৪ দিন তাদের যে পরিমাণ আমা থেকে খাওয়া হয়। আম খাওয়া দুই ঘণ্টার মধ্যে এই মহিলাদের হৃষ্টপোষণ, রক্তচাপ, রক্তের নমুনা এবং শ্বাস প্রশ্বাস পরীক্ষা করা হয়।
পরীক্ষায় দেখা যায়, চিকিত্সক রক্তচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কম হয়ে যায়। হৃৎস্প্পন্ডন সময় রক্তনালির দেয়াল প্রবাহমান রক্তের চাপ চাপ প্রয়োগ করে, সেটি সিশোলিক রক্তচাপ (রক্তচাপের মাপার সময় উপরে সংখ্যা)।
গবেষকরা দেখেছেন, আম খেতে পরে পালস প্রেশার বা ধমনী স্পন্দন চাপ কম। স্পন্দন চাপ হচ্ছে সিসিলিক এবং ডাইস্টোলিক (রক্তচাপ মাপার সময় নিচের সংখ্যা) রক্তচাপের মাঝের সংখ্যাকে পার্থক্য আম খেলে এই পার্থক্য কম হয়। গবেষকরা শ্বাসপ্রশ্বাসে হাইড্রোজেন ও মিথেনের পরিমাণও মাপা দেখতে পারেন। এই গ্যাস তৈরি করা হয়। ২৪জন নারীর মধ্যে ৬ জন নিশ্বাসে মিথেন পাওয়া যায়। এই ছয়জন মধ্যে তিনজন আম খাওয়া পরে মিঠেনের পরিমাণ কম এর অর্থ তাদের অন্তর ভালো আছে
জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বলছে, বাংলাদেশ বিশ্ব ইষ্টম আম উৎপাদনকারী দেশ ডাক্তাররা বলছেন, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত পরিমাণে আম খাওয়া প্রয়োজন।



