এমপি স্ত্রীর গাড়িচাপায় পথচারী নিহত

জিএস নিউজজিএস নিউজ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:২৩ এএম, ২১ জুন ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার:>>>

রাজধানী মোয়াখালী ফায়োভারে নোয়াখালীর এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর স্ত্রী গাড়িচাপায় সেলিম বিক্রে ৫৫  নামের এক পথচারী নিহত। মঙ্গলবার রাতে ১০ টায় বেপরোয়া গতির গাড়িটি সেলিম বিকেলে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। গাড়িটি এমপি-ছেলের শাবাব নিজেই চালাচ্ছিল বলে পুলিশ জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা। কিন্তু পরিবার থেকে বিষয় অস্বীকার করা হয়েছে

নিহত সেলিম বিকেলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িচালক সেখানে। কাজ শেষে বাসায় যাওয়ার পথে তিনি দুর্ঘটনায় নিহত হন। তাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িতে নোয়াখালী সদর আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর স্ত্রী কামরুন্নাহার শিউলির বলে পুলিশ জানায়।

শাইনি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কারটি তার বলে তিনি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। তবে গাড়িটি তার ছেলে চালাচ্ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।

মঙ্গলবার রাতে ১০  টায় মহাখালী ফায়ারভারের উপর দ্রুতগামী একটি প্রাইভেট কার সেলিমকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এ সময় পিছনে থাকা একটি মোটরসাইকেল এবং একটি প্রাইভেট কার এর গাড়ী অনুসরণ করে। গাড়িটি নিয়ে সন্দ্বীপে ভবনে বিপরীত দিকের ন্যাম ফাটতে গিয়েছিলাম। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার ও নিরাপত্তারক্ষীরা বলছেন, গাড়ি থেকে তারা শাব্বকে নামতে দেখেছেন। শাবাব একরাম চৌধুরীর একমাত্র ছেলে

বাংলা ট্রিবিউনের এক রিপোর্টে এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শামীম আশরাফির বরাত দিয়ে বলা হয় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, যখন সেই প্রাইভেট কারটির পিছনে ছিল একটি মোটরসাইকেল আধার। দ্রুত পালাতে চেষ্টা করা গাড়িটি মোটরসাইকেলে উঠতে শুরু করলো শুরুর দিকে এবং চিৎকারে আশপাশের সবার সহযোগিতা চান।

এ সময় কয়েকজন বন্ধুসহ শামীম আশরাফীও প্রাইভেট কারে সেই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনিও গাড়িটিকে অনুসরণ করে দেখেছেন যে, গাড়িটি সনদ ভবনে বিপরীত দিকে নামা ভবনের দিকে ঢোকে। সে প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, নাম ভবনের ভেতরে ঘাতক গাড়িটি থেকে একজন তরুণ নেমে বলে, ‘এটা আমার এলাকা, কে কে আসবি আস।

‘ এ সময় ওই তরুণীর সাথে কথা কাটাকাটি হয়। তখন আশপাশের লোকজন চটটা আসে এবং তরুণকে শাবাব নাম ধরে ডাকতে থাকে। এ সময় এই লোকজন ও দায়িত্ব পালনরত আনসার ও কেয়ারটেকাররা জানান, শাবাব এমপি একরাম চৌধুরীর ছেলে। তারপর তাদের নামা ভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়। শামীম জানান, মোটরসাইকেলে মাছ ধরার ঘটনায় সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি চালানো এবং ছবির ছবি তোলেন এবং ভিডিও করেছেন।

কিন্তু তাকে হুমকি সঙ্গে যে ছবি এবং ভিডিও মুছে ফেলার জন্য বাধ্য করা হয়। তিনি বলেন, এর প্রমাণ  ভবনের সিসি ক্যামেরা অবশ্যই নিশ্চিত ধারণ করা হয়েছে। যে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখায় এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই গাড়িতে সংসদ সদস্য স্টিকার আছে। কফরুল থানার ওসি শিকদার মো। শামীম হোসেন জানান, রাতে ঢাকা মেট্রো ১৩-৭৩৫৫নম্বরের প্রাইভেট কারের সেলিমকে ফিউভারের উপর ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। কারটি নোয়াখালী একটি সংসদ সদস্যের ছেলে চালাচ্চে।

ঘটনাস্থলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে কফরুল থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু গাড়ি চালক ও গাড়ি আটক রাখা হয়নি এই ঘটনায় পুলিশ একটি রাস্তায় দুর্ঘটনা মামলা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :