‘এবার ন্যায্য হিস্যা আদায় করেই জোটের সিদ্ধান্ত নেবো’ : এরশাদ
স্টাফ রিপোর্টার:>>>
‘বিএনপি নির্বাচনে এলে আওয়ামী লীগের সাথে জোটবদ্ধ হব, আর বিএনপি না এলে একাই তিনশ আসনে নির্বাচন’ – সম্প্রতি রংপুরে গিয়ে এই বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন এইচএম মাহমুদ মো।
বুধবার রাজধানীর বনানী জাপা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সভাপতি ও সংসদ সদস্যের যৌথ সভাে তিনি এই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।
সভায় জাপানের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেন, আমরা কাউকে সিট চাই না, মন্ত্রী সংখ্যা বা কেন চাইবেন। আমরা বিরোধী দল বা সরকারের অংশীদারিত্বের জন্য না রাজনীতির না রাজনীতিতে ক্ষমতায় গেলে দেশের মানুষ মুখেই হাসি ফোটানো জন্য। এখন আমরা সরকার গঠন রাষ্ট্র পরিচালনা করা হবে। তবে নির্বাচনী রাজনীতিতে যোগদান করা যায়। কিন্তু এখন আমাদের সঙ্গে কেউ কেউ এগিয়ে যাওয়ার জন্য জোটে যাবার জন্য বলবে কেন? কেউ যদি ক্ষমতার অংশীদারি চান তবে তারা তাদের সাথে জোটে আসবে
রওশনসহ দলের নেতাদের বক্তব্যের জবাবে জাপা চেয়ারম্যান এইচএম মাহমুদ বলেন, রওশনের ভাষণে আমি খুশী হয়ে গেছি। প্রয়োজন হলে বৃহত্তর জোট করা হবে। তবে এটা নিশ্চিত, এখন ন্যায্য হিসেয়া আদেতেই জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।
সভার শুরুতে জাপা মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার শুভেচ্ছা বক্তা বক্তব্য রাখেন, সর্বশক্তি দিয়ে আমাদের নির্বাচনী ক্ষেত্রের নাম হবে। দলের সভাপতি ফরিওজ রশিদ বলেন, তফফিল আহমেদ বলেছেন- বিএনপি ক্ষমতায় আসলে একলাইফ লোক মারা গেছে। আমি চাই কোন মানুষ মারা না যাক
Presidium members সৈয়দ আবু হোসেন ববলা এমপি বলেন, এরশাদ ও জাপা ছাড়াও জোটের রাজনীতি যে বড় জিরো তা দেশের সব রাজনৈতিক দল নেতাদের ভালো জানেন, তেমনি সাধারণ মানুষও জানেন।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জাপান কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, দলের সভাপতির সদস্য বরিশাল আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন খান, সাহীদুর রহমান টেপা, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, সুুনীল শুভ রায়, এস এম ফয়সাল চিশতি, সোলায়মান আলম শেঠ, ফখরুল ইমাম এমপি, মশিউর রহমান রাঙ্গা, মুজিবুল হক চুন্নু, নুর-ই হাসনা লিলি চৌধুরী, মীর আ বদুস সাবুর আসুদ, মেজর (অব।) খালেদ আখতার প্রমুখ



