সিইসি ও ইসি সচিব দুজনই শেখ হাসিনার মনোবাঞ্ছা পূরণে নিরন্তর কাজ করছেনঃ রিজভী।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ>>>>>
সিইসি ও ইসি সচিব দুজনই আওয়ামী সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সদা তৎপর বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশন কতিপয় আত্মবিক্রয় করা লোকজন দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। তার সব শক্তি দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার চিরদিনের জন্য হরণ করে নিতে শেখ হাসিনার মনোবাঞ্ছা পূরণে নিরন্তর কাজ করছেন।
‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার খুলনায় বললেন- সীমিত আকারে ইভিএম ব্যবহার হবে। আবার ইসি সচিব চট্টগ্রামে বললেন- প্রাথমিক পর্যায়ে ৮৪ হাজার ইভিএম কিনবে নির্বাচন কমিশন। এগুলো নাকি শহর এলাকায় ব্যবহার করা হবে। সিইসি ও ইসি সচিব- দুজনই আওয়ামী সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সদা তৎপর।’
বিএনপির এ নেতা বলেন, রংপুরে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বললেন, ইভিএম ব্যবহার করা হবে কিনা, তা এখনও অনিশ্চিত। একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন করার জন্য ভোটারদের গোলক ধাঁধার মধ্যে ফেলতে কমিশনের কর্তাব্যক্তিরা এসব বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলছেন।
রিজভী আহমেদ বলেন, ‘ইভিএম-এর নামে মহা জালিয়াতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে তারা। নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীনদের কিছু লোকের পকেট ভারী করার জন্য সারা দুনিয়ায় ধিকৃত ও বিতর্কিত ইভিএম মেশিন ৩৮২৫ কোটি টাকায় কেনা হবে।’
রোববার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
২৮ অক্টোবর প্রসঙ্গে বিএনপির এই মুখপাত্র বলন, ‘২০০৬ সালের এইদিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী রাজনৈতিক সহিংসতায় বেশ কয়েকজন নিহত হন। শেখ হাসিনার নির্দেশে লগি-বৈঠা দিয়ে পাশবিক প্রহার, গুলি আর ইট-পাটকেলের আঘাতে রাজধানীর পল্টন এলাকায় ছয়জনকে হত্যা করে মরদেহের ওপর নৃত্য করা হয়। ২৮ অক্টোবরের সেই মৃত্যু-বিভীষিকা জনগণ এখনও ভুলে যায়নি।’
তিনি বলেন, ‘২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে আজ পর্যন্ত আওয়ামী সন্ত্রাসের ছোবলে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হতে হয়েছে। এগুলো চরম মানবতাবিরোধী অপরাধ। এজন্য আওয়ামী লীগকে বিচারের সম্মুখীন হতেই হবে।’
অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, আহমেদ আযম খান, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



