জিয়া বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি হতেন
নিজস্ব প্রতিনিধি :>>>>>>
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন। কিন্তু তিনি আসামি হননি। আইনে আছে, কোনো মৃত ব্যক্তিকে ফৌজদারি বিধিতে মামলার আসামি করা হয় না। জিয়া বেঁচে থাকলে আসামি হতেন, তার বিরুদ্ধে চার্জশিটও হতো। মামলায় তা প্রমাণিতও হতো।’
মঙ্গলবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পুরান ঢাকার সরকারি কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক বলেন, সেনাবাহিনীর উচ্ছৃঙ্খল সদস্যরা বঙ্গবন্ধুকে তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে হত্যা করেছে। আসলে তা নয়। পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় পরিকল্পিতভাবে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার একজন আইনজীবী হিসেবে মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে দেখতে পেয়েছি, এতে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি তার পরাজয়ের কথা বুঝে গেছেন। তিনি এখন পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। কিন্তু এতে কোনো লাভ হবে না।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল হওয়ায় বিএনপি খুব উচ্ছ্বসিত ছিল। তারা এর আগেও বহু ক্ষেত্রে উল্লসিত হয়েছিল। তারা ভেবেছে, আমাদের সঙ্গে বিচার বিভাগের বৈরিতা তৈরি হয়েছে। এর আগে তারা নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর খুব উল্লসিত হয়। কিন্তু তাতে তাদের কোনো লাভ হয়নি। এখন এসেছে নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করতে। কিন্তু তাতেও তারা সফল হবে না।’
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাওলাদার। সভায় উপস্থিত ছিলেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোসফিকা বেগম, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান, সহ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম সোহেল, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন প্রমুখ।



