এখনো ভিসা জটিলতার ‘আশঙ্কায়’ রয়েছেন অনেক হজযাত্রী

GS News 24GS News 24
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:২৭ পিএম, ১৫ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ>>>

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন হজ পালনে সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৬ হাজার ৭৯৮ জন আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ১ লাখ ২০ হাজার। এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫২৮টি হজ এজেন্সি হজের কার্যক্রম পরিচালন করছে।

 

রোববার (১৫ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৮৮ জন যাত্রীর বিপরীতে ভিসা হয়েছে মাত্র ৩১ হাজার ৪৭১টি।

ভিসা প্রসেসিংয়ের ধীরগতির কারণে গতবারের মতো এখনো ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন অনেক যাত্রীরা।

তাদের মতে, আমাদের হজ উপলক্ষে সব টাকা দেওয়া শেষ যাত্রার আগ মুহূর্তে ও আমরা ভিসা ও টিকিট হাতে পায়নি এখনো।

 

 

সাইফ ইসলাম নামে এক ব্যক্তি জিএস নিউজকে বলেন, সোমবার (১৬ জুলাই) আমার বাবা ফ্লাইট কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা ভিসা ও বিমানের টিকিট হাতে পায়নি। আজ দেওয়ার কথা কিন্তু কখন পাবো জানি না।ভিসার জন্য অপেক্ষায়  অনেক হজযাত্রীরা।

 

এ বিষয়ে হজ এজেন্সি অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব শাহাদত হোসেন তসলিম  জিএস নিউজকে বলেন, ভিসা জটিলাতার কোনো সুযোগ নেই। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত দেওয়ার ও অনেকেই পেয়েছেন ইতিমধ্যে। বাকিরা খুব কম সময়ের মধ্যেই পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি যাত্রীদের হতাশ না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

 

 

শাহাদত হোসেন তসলিম আরও বলেন, এবার হজ যাত্রীদের বহনের জন্য আগেই ঠিক করে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ বিমান ও সৌদি এয়ারলাইন্স। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ ১৮৭টি ফ্লাইটে ৬৪ হাজার ৯৬৭ জন এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের ১৮৮টি ফ্লাইটে ৬১ হাজার ৮৩১ জন যাত্রী পরিবহন করবে। হজের শেষ ফ্লাইট ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে ১৫ আগস্ট। আর হজ পালন শেষে ২৭ আগস্ট প্রথম ফিরতি ফ্লাইট জেদ্দা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে।

 

 

আগামী ২৫ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালের বিভিন্ন ফ্লাইটে এখনও প্রায় ১০ হাজার হজ টিকিট অবিক্রিত রয়েছে। এ কারণে বিমানের পক্ষ থেকে সব হজ এজেন্সিকে হজযাত্রীদের দ্রুত টিকিট সংগ্রহের অনুরোধ করা হয়েছে।

 

 

এ বিষয়ে হজক্যাম্পের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার ( ১৪ জুলাই) সৌদি অ্যাম্বাসি বন্ধ থাকার কারণে আমাদের ভিসা হয়নি।

শনিবার (১৫ জুলাই) সকালে ৮ হাজার পাসপোর্ট পাঠিয়েছি বিকেলের মধ্যেই আশা করছি সেগুলোর ভিসা চলে আসবে। এরপর আমাদের কাছে যেসব পাসপোর্ট আসবে সেগুলো আবারও সৌদি অ্যাম্বাসিতে পাঠানো হবে।

 

 

তিনি আরও বলেন, ভিসা পাওয়াটা ধারাবাহিক ব্যাপার। আবেদনের ওপর এটা নির্ভর করে। তবে আশা করি গতবারের মতো অস্বাভাবিক কিছু হবে না। এখনও সময় আছে ভিসার কাজ যথাসময়ে শেষ হবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন :