বেহাল দশা ঢাকার রাস্তার

জিএস নিউজজিএস নিউজ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:১৩ এএম, ১০ জুলাই ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার:>>>

খানাখন্দে বেহাল স্থায়ীভাবে রাজধানী প্রায় সব রাস্তাগুলি চলাচলের অনুপযুক্ত বেশিরভাগ রাস্তা সামান্য বৃষ্টিপাতের রাস্তাগুলি কাদায়, পানি মিলে একাকার হয়ে যায়। চলতে চলতে চলন্ত দুর্ঘটনা সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, টিটিস, ডেসকোশ মিলে প্রতিদিন কোনও কোনও রাস্তা, ললিপলি খোঁড়া সঙ্গে আছে মেট্রোরেল, এলিভেটেড প্রকল্প কাজ। আজ এক প্রতিষ্ঠান কাটকে তো কাল কাটকে অন্যটি বিভিন্ন সংস্থার এমন সমন্বয়হীনতা চরম বিপর্যস্ত পোহায়েতে রাজধানীবাসী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রশাসনের ব্যর্থতা বা দুর্বলতার জন্যই শহরটি বেহাল দশা। এ প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন ইনকিলাবকে বলেন, এ ধরনের কাজ করতে গেলে কিছু সমস্যা হতে পারে। উন্নয়ন কর্ম চলা সময় দুর্গতির জন্য দুঃখ প্রকাশ মায়া নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করা।

রামজান ঈদকে কেন্দ্র করে সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রীর নির্দেশে প্রায় এক মাস বিভিন্ন রাস্তা মেরামত কাজ বন্ধ। এর মধ্যে আগাম বর্ষার কারণে রাজধানী রাস্তাগুলি অস্থায়ীভাবে বেহাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কমপোশেনের বাসাবো, মাদারেটেক, নন্দীপাড়া, বনশ্রী, মুগদাপাড়া, মায়া কানন এবং মানিকনগর অধিকাংশ সড়ক দীর্ঘদিন উন্নয়ন কাজ চলছে। এই সমস্ত এলাকার মূল সড়ক সহ মহল্লা ভাঙচৌর সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। মাদারেটেক টেম্পোস্ট্যান্ড, দক্ষিণ ও পশ্চিম মাদারেটেক, পশ্চিম বসাবো, পদ্মকনন, এলাহীবাগ সড়ক খোঁড়াখুড়ী করছে ঢাকা ওয়াসা। এর মধ্যে দক্ষিণ মাদারেটকে থেকে টেম্পোস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়ক অবস্থা বেহাল যে কারণে এই রাস্তাটি তীব্র যানজট বৃষ্টিপাতের যে এলাকায় সড়কগুলি এখন ব্যবহার করা যায় না। এলাকাবাসীর সংঘর্ষ শেষ না সড়কে কাঁদা পানিতে এককার অবস্থা অফিসগামী ও ছাত্রীদের প্রতিদিনের রাস্তায় ছোট বড় দুর্ঘটনা শিকার হচ্ছে অনুসন্ধান, জানা গেছে, উন্নয়ন খণ্ডক্ষেত্রটি অনেকটা স্থির হয়ে গেছে উত্তর সিটি করপোরেশনের মিরপুর ১২ নম্বর সেকশন থেকে ১১ নম্বর সেকশন পর্যন্ত সড়ক। এ সড়ক দিয়ে যাত্রাবাড়ী মানুষদের ভোগান্তি এখন চরম আবার বাসস্টট এ প্রধান সড়ক বাদ দিয়ে অলি-গলি দিয়ে যাত্রা ব্যবস্থাও নেই। সেখানে ছোটো ছোটো মেরামত করা না হলে চলাচলে অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। মিরপুর ১০ নম্বর বেনারসী পল্লির কয়েকটি সড়কও বেহাল অবস্থানে রয়েছে।
একই অবস্থা ৬ এবং ৭ সংখ্যা অধ্যায় বেশ কয়েকটি গলির রাস্তা ভেঙ্গে আছে মিরপুর ৬ নং সেকেশন বেশ কিছু গলির রাস্তা অবস্থা নাজুক। স্থানীয় বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন বলেন, মিরপুর -১০ ও বেনারসী পল্লীসহ এ এলাকায় রাস্তাগুলির সমস্যা অনেক পুরনো। মাঝে মাঝে সিটি করপোরেশনের লোকজন এসে কাজ করলেও কয়েকদিন পরে আবার আগের অবস্থা ফিরে যায়। বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই। এছাড়া রাজধানী মগবাজার, সেগুনবাগিচা, কামরাঙ্গিচার, নন্দীপাড়া, বাসাবো, মাদারেটেক, মানিকনগর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, শ্যামপুর, গেন্ডারিয়া, পোস্তগোলা, লালবাগ, সূত্রাপুর, কোতয়ালী, ওয়ারি, চকবাজার, মোহাম্মদপুর, ঢাকারমণি, মিরপুর, কফরুল, দক্ষিণখান এলাকাগুলোতেও বেশ কিছু রাস্তা বেহাল দশা

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাপ্পার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, নগর সরকারী বিশেষজ্ঞ স্থপতি ইকবাল হাবিব ইনকিলাবকে বলেন, জুন মাসকেন্দ্রিয়কে আমাদের জাতীয় বাজেট ঘোষণার কারণে অর্থ ছাড় বিষয় এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নতুন বাজেটের আগে পূর্ব অর্থবছরের কাজ সম্পন্ন করা অর্থ ছাড় করা হবে তাই নিষেদ থাকার পরেও বারা ঋতু ঋতু খনন এবং মেরামত কাজ করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে বলা হয়। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বাইরে যুক্তিটি যে বিষয়টি লক্ষ্যনীয় সেটি হচ্ছে, বর্তমানে রাজধানী শহরের সব উন্নয়ন কর্ম চলছে তার সঠিক তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ সঠিক পরিচালনা এবং সমন্বয় থাকলে সড়ক এই বেহাল দশা তাই আমার মনে হয় না

এদিকে, শুষ্ক মৌসুমে রাজধানী উন্নয়ন কর্মের জন্য বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী রাস্তা কাটার সীমিত পরিসীমা অনুমোদন দেবার কথা থাকলেও এ জন্য কঠোর নিয়ম নীতি। এ নিয়ম নীতি তদারকি করার মূল দায়িত্ব ছিল ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন।
গত কয়েকদিন ধরে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার চলমান উন্নয়ন কাজ সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উন্নয়ন কর্ম নেই কোন সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ। যে কারণে নগরবাসীদের পড়াতে ব্যাপকভাবে ভোগা

রাজধানী দুটি সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন সড়ক ও ওলি-গলটি বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা উন্নয়ন কর্মসূচী চলমান খাঁড়িখুরি এছাড়ও ভাঙচুরা রাস্তা মেরামত কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন যে কারণে রাজধানী প্রায় সব রাস্তায় এখন খোঁড়াখুড়ি আটকা পড়ে আছে প্রতিদিন ৩১ শে মে রাস্তায় খোঁড়াখরচুরের কাজ শেষ হলে নির্দেশনাটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে থেকেও কেউ মান্নান নয়।

এ বছরও ঢাকায় দুটি সিটি করপোরেশন বিভিন্ন রাস্তা মেরামত ও উন্নয়ন সড়কটি তাদের নিয়মিত রাস্তা কাটার কাজ ধরে।
এদিকে, অতিপ্রয়োজনীয় কোনও কারণ ছাড়াই বর্ষার মৌসুমে রাস্তা খাইবারখুড়ি অনুমোদন না দেয়ার জন্যও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২৮ দিনের মধ্যে উন্নয়ন কাজ শেষ হলে পুনর্বার রাস্তা মেরামত করা হবে কিন্তু তা না হলে উন্নয়ন কর্ম শেষ হবে মাস পরে মাস রাজধানী বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা বেহাল অবস্থা পড়ে আছে দেখা যায়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো। আসাদুজ্জামান ইনকিলাবকে বলেন, আমরা গত বছর বর্ষায় দুর্ভিক্ষের রাস্তা মেরামতের কাজ শেষ করেছি মাত্র কয়েক দিন আগে। এখন নতুন বাজেট আসছে এ বছর আগাম বর্ষার কারণে রাস্তাগুলি অস্থির হয়ে বেহাল হয়ে গেছে। ভাঙচোচা সড়ক মেরামতের নিয়মিত কাজও এখন আমাদের করা হচ্ছে বৃষ্টিপাতের জন্য নিয়মিত কাজ করা তবে নগরবাসীর ভেঞ্চারীর কথা চিন্তা করে ভাঙচোরা সড়কগুলোতে আমরা যথাযথ কাজ করতে পারি।

সরেজমিন দেখেছি, খিলগাঁও ফ্লাইওভারের র্যাপার পার্শ্ববর্তী রাস্তাগুলির বেহাল দশা কার্পেটটিং নয় করতো সড়কে বিশাল

আপনার মতামত লিখুন :