আশা জাগাচ্ছে দেশি গরু

জিএস নিউজজিএস নিউজ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:৫৮ এএম, ১৬ আগস্ট ২০১৮

জিএস ডেস্ক:>>>

পবিত্র ঈদুল আজহার এবং সাত দিন বাকি ইতিমধ্যে রাজধানী সহ সারা দেশ হাট গরু বিকচতার প্রস্তুতি চলছে তিন বছর ধরে সীমান্ত দিয়ে গরু আসার জন্য যাওয়ায় দেশীয় গরুর সরবরাহ ও বিক্রি দুই-ই বৃদ্ধি পেয়েছে একই সঙ্গে বাড়ছে গাবতিপশুর খামার সংখ্যা। ছোট ও মাঝারি খামার স্থাপনের জন্য শিক্ষিত তরুণ এবং প্রবাসীদের এগিয়ে আসেন। অনলাইনেও কোরবানির পশু কেনাবেচা জনপ্রিয় হচ্ছে

দেশের প্রধান ছয়টি স্থলসীমন্ট বন্দর সূত্রে জানা যায়, তিন বছর ধরে ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু আসার পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে কমছে। গতবছর তুলনায় এই বছর প্রতিবেশী দেশগুলো প্রায় ৫০ হাজার গরু-মহিষ কম আগত। ১২ আগস্ট পর্যন্ত ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু-মহিষ এসেছে প্রায় এক লাখ দেশ চাহিদা কমে যায় এবং সীমান্তে কড়াকড়ি কারণ গরু আসার পরিমাণ কমছে যশোর ও লালমনিরহাটের পাটগ্রামে একবছর ভারতীয় গরু আসার সবচেয়ে বড় স্থান। এ বছর তারা দুটি স্থলসীমান্ত দিয়ে গরু এসেছিল

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায়, দেশি গরুতে এই বছর ঈদুল আজহার চাহিদা মেটবে। এ বছর কোরবানির জন্য দেশ মোট ১  কোটি ১৫ লাখ ৮৯ হাজার গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া রয়েছে। এর মধ্যে খামারে হৃষ্টপুষ্ট গরু-মহিষের সংখ্যা প্রায় ২৯ লাখ ১০ হাজার। গত বছর এটি ছিল ২৭ লাখ

দেশী গরুর চাহিদা বৃদ্ধির বিষয় ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক সাত্তার মণ্ডল।

, দেশের তরুণ ও প্রবাসীদের গাবতিপশুর খামারে উৎসাহী হও-এটা দেশের কৃষি অর্থনীতিতে খুব ইতিবাচক দিক। তবে দেশটি গবাদিপশুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে হলে ধারাবাহিকভাবে গরু আমদানি বন্ধ করা হবে। গবাদি পশুর খামার স্থাপনের জন্য সরকারি সহায়তায় কৃষিঋণ ব্যবস্থা করা হবে।

তবে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ মনে করেন, এখনই ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ করা যাবে না। তিনি বলেন, আমদানি বন্ধ হঠাৎ করে গরুর দাম বাড়তে পারে। গরুর খামার গড়ে তোলার জন্য সরকারি উদ্যোগের কারণ ইতিমধ্যে দেশ গরু-ছাগল প্রায় আত্মসংগীত হয়ে গেছে।

তবে গরু-মহিষ আমদানি বন্ধ বন্ধ করা উচিত বলে মনে হয়। সংগঠনটি বলছে, গরুর খাবারের দাম গত দুই বছরে ২0 শতাংশ বেড়েছে গরুর দাম বেড়েছে। ফলে গবাদিপশু লালন-পালনে লাভ কম হয়

সংগঠনটির নেতারা বলছেন, গত বছর কোরবানির ঈদ সময় সড়ক-মহাসড়কগুলি খানাখন্ড এবং বৃষ্টিপাতের কারণে অনেক গরু সময়মতো রাজধানী হাটগুলিতে আসতে পারে। এ কারণে ঈদ একদিন আগে গরুর সংকট দেখা দেয়, দামও বেড়ে গেছে। অন্যদিকে অনেক গরুভর্তি ট্রাক যানজটে পড়ে শেষ পর্যন্ত রাজধানীতে পৌঁছে যায়। এ বছর তারা গরু ট্রাকগুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাজধানীসহ দেশের বড় হাটগুলোতে দ্রুত পৌঁছানোর সুযোগ দেয়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত তিন বছরে দেশে ১৫ হাজার নতুন খামার গড়ে উঠেছে। অনলাইন এবং খামার থেকে অনেকে গরু বিক্রি শুরু করেছে আশা করি, এখন কোরবানির ঈদের গরু কোন সংকট হতে পারে না। দেশী গরু দিয়েই এখন দেশ চাহিদা মেটানো হবে। ‘

আপনার মতামত লিখুন :