ফেনী থানা হাজতে দীর্ঘ সময় আটক’র পর শতাধিক তরুনের মুক্তি

জিএস নিউজ ডেস্কজিএস নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:৩৭ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০১৮

ফেনী প্রতিনিধিঃ>>>

ফেনী মডেল থানায় ৩২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আটক রেখে ৯৭ তরুনদের মুক্তি দেয়েছে। ৪৪ ঘন্টা পরও বাকি ১২ তরুনের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি পুলিশ। তবে তাদের এখনো আদালতে উপস্থিত করা হয়নি।

তবে আটকদের বিষয় তড়িৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টার কমতি নেই দাবি করে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান বলেন, বাকি ১২ আটক ব্যক্তিরা ছাগলনাইয়া থানার বাসিন্দা। তাদের সর্ম্পকে ছাগলনাইয়া থানা থেকে তথ্য চাওয়া হয়েছে। থানা থেকে তথ্য পাওয়ার পর তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যাদের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধের তথ্য পাওয়া যায়নি তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের তথ্য সঠিক থাকলে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানের দাবি, বুধবার বিকালে শহীদ শহিদুল্লাহ কায়সার সড়কের পাশের পাপ্পুমিয়ার ভবন থেকে নাশকতার উদ্দেশ্যে কিছু যুবক জড়ো হয়েছে বলে খবর পায় ফেনী মডেল থানা পুলিশ। পরে ওই থানার ওসির নেতৃত্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ ক্যাডারদের সহযোগিতায় পুলিশ তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তবে আটক যুবকদের দাবি তারা তিয়ানশি নামের একটি কোম্পানির সেলসম্যান হিসাবে প্রশিক্ষণ নিতে ওই ভবনে গিয়েছিলেন।

আটক একজনের পিতা ছালেহ আহমেদ বলেন, মিথ্যা অভিযোগে আমার সন্তানকে আটক করেছে পুলিশ। আটকের পর দীর্ঘ সময় ধরে তাদের থানায় আটকে রাখা হয়েছে।

সোহেল রানা নামে তিয়ানশি’র এক বিক্রয় প্রতিনিধি জানান, আটক ব্যক্তিরা তিয়ানশি বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানির সেলিব্রেশন প্রোগ্রামে যোগ দিতে বুধবার অফিসে গিয়েছিল। গত সাত দিন ধরে ওই অফিসে প্রশিক্ষণ চলছিল। ফেনী মডেল থানার পুলিশ স্থানীয় ছাত্রলীগ দ্বারা প্ররোচিত হয়ে হয়রানির উদ্দেশে তাদের আটক করেছে। এখন আমরা সকল তথ্য-উপাত্ত দিয়ে ৯৭ জন মুক্তি পেয়েছি, বাকি ১২ জনের তথ্য নিচ্ছে পুলিশ।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, ১২ যুবকদের বিষয়ে দ্রুতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :