রাজশাহীর আম সোনাগাজীতে
স্টাফ রিপোর্টার:>>>
ল্যাংড়া, গোপালভোগ, মরিয়ম, খিরসা, মধুরানী, হিমসগর বা পাবীভাঙা এতো রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকা আরাম তবে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর সোলায়মান প্রমাণ করেছেন যে, যত্ন সহকারে চাষ করা হলে সোনাগাজিও এগুলো ফলানো সম্ভব। দেশি-বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ৪২২ জাতের আমেতে তার বাগানে বাগানে বিভিন্ন জাতের আমগাছ লইয়া থেমে থাকল না, তিনি প্রজন্মের উন্নয়নে প্রতিবছর পরীক্ষা-নিরীক্ষণ করে চলছিলেন। রাজশাহী আমহার সোনাগাজী চাষ করা অযাচিত সাফল্য পেয়েছেন তিনি
১৯৯২ সালে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা আমরবাদ ইউপি মোরির প্রজেক্ট এলাকায় প্রায় ৬৮ একর জমিতে সোনাগাজী এগ্রো কমপ্ল্লেস নামের সমন্বিত খামার প্রতিষ্ঠা করা হয়। খামারে মাছের চাষ এবং গবাদি পশুর পালনের পাশাপাশি কোন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার না করে বিষমুক্ত উপায়ে ফলের বাগান গড়ে তোলেন তিনি। বাগানের দুই হাজার আমগায়েতে আম বাম্পার ফলন আছে এ ছাড়া বাগানে আমর পাশাপাশি কাঁঠাল, উন্নত জাতের কলা, পেঁপে, নারকেল, ড্রাগন ফল এবং জামুরুলের চাষও তিনি করেছেন।
সোনাগাজী উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে মোরি প্রজেক্টের পাশে মেজর সোলায়মানের খামারের অবস্থান। প্রকল্পে পাঁচ একর জায়গায় তিনি গড়ে তোলেন আম বাগান সম্প্রতি তার খামার প্রকল্প দেখে দেখা যায়, মাছ চাষের জন্য খনন করা বিশাল পুকুরের দুই পাশে মগাছের সারি। গাছে গাছে ঝুলছে বিভিন্ন জাত আম একক জাতের আমের গঠন একক ধরনের কোনটি গোল আবার কোনটি লম্বা
তিনি বলেন, খামারে প্রায় দুই হাজার আমের গাছ আছে। এ বছর আরো ৫০০ চারা লাগাবেন তিনি এ পর্যন্ত আমবাগানের পিছনে তার খরচ হয়েছে ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা। বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতারা তার বাগান থেকে আম কিনতে এবং নিতে 6 বছর ধরে আমি বিক্রি করছি তিনি এই মৌসুমে সব মিলিয়ে ১৫ টন ম্যাম বিক্রি করা হবে বলে তিনি আশা করছেন।
এই ম্যাম খুব মিষ্টি এবং সুস্বাদু প্রতি কেজি ৯০-১০০০ টাকা বিক্রি করছেন তিনি এ ছাড়া এই বাগানে আলফানসো, রবি দোসরি এবং পলমর, তোতাপুরি নামের বিদেশী জাত আমগো ধরবে।
সেনাবাহিনীর প্রাক্তন মেজর সোলায়মান বলেন, ‘এই অঞ্চলের মানুষ রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অমর চাষ করা না। অথচ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ করলে এই জাতের আমেতে ভাল ফল পাওয়া যায়। তার প্রমাণ আমার এই বাগান। ‘
তিনি আরও বলেন, তার বাগানের আমে কোন ধরনের কীটনাশক নেই। এ ছাড়া গাঁজা urea সারের পরিবর্তে জৈব সার ব্যবহার করার জন্য তিনি বলেন ,.



