এবারও ভোগান্তি শুরু উচ্চ শিক্ষায় ভর্তি নিয়ে
জিএস ডেস্ক:>>>
উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশের পরে যারা উচ্ছ্বাসে মেতেছিল তাদের মনে হয় এখন চলছে অনিশ্চিততা, উদ্বেগ এবং উদ্বিগ্নতা এ উদ্বেগ যেমন উদীয়মান প্রতিষ্ঠানের জন্য ভর্তি সুযোগ পাওয়া যায় না পাওয়ার বিষয়ে, তেমনি পরীক্ষার জন্য ছুটিতে হবে দেশ এক প্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে এটা বিবেচনা করাও।
এখন আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা হয় ১২ লাখ ৮৮ হাজার শিক্ষার্থী। এর মধ্যে মোট পাস হয়েছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার শিক্ষার্থী। এর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ চায়।
উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য এই কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে আবারও ভর্তি পরীক্ষার নামকরণ করা হবে যুদ্ধের অংশ গ্রহণের জন্য, বিভিন্ন প্রান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটিতে ভ্রমণ করা হবে। অভিভাবকও ভান্তেটি পোহাতে হউক, অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ও
এক ছাত্রী চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটি ভর্তি জন্য চট্টগ্রাম, একই ছাত্রীকে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার জন্য ছুটিতে হবে দিনাজপুর, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি জন্য ছুটিতে সিলেটে। এভাবে ছুটিতে হবে রাজশাহী এবং বরিশালও ছেলেমেয়েদের পাশে সহবাস কাটাতে নিদ্রাম রাতও কিন্তু দুঃখের পরেও কি উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-পূরণ করা?
শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদও এই সহিংসতার কথা চিন্তা করে বিচ্ছিন্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষার জন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মন্ত্রীর এই আহ্বান পরে রাষ্ট্রপতি bunch পদ্ধতি পরীক্ষা নেয়ার আহ্বান জানান। এর পরে একটি সম্পর্কিত কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, আগামী বছর থেকে বুলেট পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ করা হতে পারে।
মিনানা আক্তার নামে এক ছাত্রীকে অভিভাবক জানান, ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে সারা দেশ ঘুরে বেড়াবে। যাতায়াত কষ্ট, নিরূম রাত কাটাতে হবে। অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা উচিত অথচ মন্ত্রীর চেয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে তার এলাকার বসতি বসু ছিল।
এখন জিপিএ -৫ পাওয়া ৩০ হাজার কম। অন্যদিকে পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে আসন সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। সে হিসাবে ভর্তি আশা দেখছেন জিপিএ ৪ থেকে ৫ এর মধ্যে থাকা শিক্ষার্থীরাও। ২০১১ সালে জিপিএ -৫ পেয়েছে ৫৮ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এখন এই সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার কমছে তবে ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করলে সুযোগের সাথে মিলিত হতে পারে, যেমন আশা করা ছাত্ররা। এখন জিপিএ ৪ থেকে ৫ এর মধ্যে ১ লাখ ৯১ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রত্যাশিত ইউনিভার্সিটি ভর্তি সুযোগ সুযোগ সর্বাধিক ৬০ হাজার ছাত্র।
তবে অপেক্ষাকৃত বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের সুযোগ না হলেও উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবার সুযোগ নেই। দেশের ৪০ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১০৩ টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মোট আসন সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার এর বাইরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সারা দেশ ৫১৬ টি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স পড়ানো হয়। অনার্স (স্নাতক) ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে ৪ লাখের বেশি। সরকারি মেডিক্যাল কলেজেও আসন রয়েছে প্রায় তিন হাজার শিক্ষা বিভাগ বলছে, দেশে সব মিলিয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর আসন রয়েছে ১৩ লাখেরও বেশি।
পছন্দের তালিকায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
এইচএসসি উত্তীর্ণ অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পছন্দ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দেশ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৪০ টি। আর এ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার এই ৫০,০০০ আসনের জন্য লড়াই জরুরী ছাত্রলীগ কেন পছন্দসই তালিকায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এমন প্রশ্ন জাবাতে আরিফুল নামে এক ছাত্রী বলে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সরকার ভর্তুকি প্রদান করে। এ কারণে বলা যায়, একপ্রকার বিনা টিশনের ফিতে পড়াশোনা করা যায় না। আবাসিক হলে থেকে পড়াশোনা সুযোগ আছে পড়াশুনা মানো ভালো চাকরি বাজারে সনদের গুরুত্ব
বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ১০৩ টি এর মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে ৯১ টি। আয়শা ইসলাম নামে একজন শিক্ষার্থী বাবাকে বলে, দেশে শত শত বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আছে কিন্তু হাতে হাতে কিছু ভাল মানের। অথচ ভাল মানের বেসরকারী ইউনিভার্সিটি টিউশন ফি অতি বেশী ফলে এত টাকা দিয়ে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা অনেকের জন্য সম্ভব নয় বাকি যে বিশ্ববিদ্যালয় আছে তার টিউশন ফি কম যদিও তাদের মান সঙ্গে প্রশ্ন আছে। কোন পড়াশোনা হয় না বলেই চলে। আর চাকরির বাজারে সনদের গুরুত্ব নেই বললেই চলে এ কারণে দুঃখ হলেও প্রায় সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা অংশ গ্রহণ চায় শিক্ষার্থীরা।



