স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নামফলক ও রেলসংযোগ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
স্টাফ রির্পোটারঃ>>>>>>>
মুন্সীগঞ্জের মাওয়া গোলচত্বরে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নামফলক ও রেলসংযোগ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে সেখানে পৌঁছান তিনি।
এর আগে, সকাল সাড়ে ১০টায় হেলিকপ্টার যোগে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে মাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। বেলা সোয়া ১১টায় মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর নামফলক উন্মোচন করেন। এসময় ৮ লেন মহাসড়কের ঢাকা-মাওয়া এবং পাঁচ্চর-ভাঙ্গা অংশের অগ্রগতিও পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এ, কে, এম শাহজাহান কামাল ও সেনা বাহিনী প্রধানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর পর বেলা সাড়ে ১১টায় পদ্মা সেতুর মাওয়া টোলপ্লাজা সংলগ্ন গোলচত্বরে সুধি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তিনি।
মাওয়া প্রান্তের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী পদ্মাসেতুর শরীয়তপুর জেলার জাজিরা প্রান্তে যাবেন। সেপ্রান্ত থেকেও তিনি পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন (জাজিরা প্রান্ত) এবং পদ্মাসেতুর নামফলক উম্মোচন (জাজিরা প্রান্ত) করবেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী মাদারীপুরের শিবচর কাঁঠালবাড়ীর ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরী ফেরিঘাটে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন। জনসভা শেষে বিকেলেই প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু হচ্ছে অর্থ ব্যয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ প্রকল্প এটি। ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি হবে দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু। দ্বিতল এই সেতুর নিচতলা দিয়ে ট্রেন চলবে। সড়ক ও রেলপথে যুক্ত হবে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলা। প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলে বিভিন্ন কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে।



