অপারেটরদের সহায়তা ছাড়া অস্ত্র নিয়ে বিমানে ওঠা অসম্ভব।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ বলেছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অপারেটরদের সহায়তা ছাড়া অস্ত্র নিয়ে নিরাপত্তা বলয় পার হওয়া সম্ভব নয়। কারণ, বিমানবন্দরে যে নিরাপত্তা বলয় রয়েছে তাতে অস্ত্র নিয়ে বিমানে ওঠা অসম্ভব। এরকম ঘটনা বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে খারাপ বার্তা দেবে।
তিনি আরও বলেন, অস্ত্র বিমান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে নাকি মদ্যপ অবস্থায় বহন করা হয়েছে এই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা দরকার। ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করে কোনো দল বা গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা সে বিষয়ে যাচাই-বাছাই করতে হবে। ভূন্ডরাজনৈতিক পরিবেশ বিবেচনা করলে বাংলাদেশ অন্য দেশগুলোর কাছে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। কারও সঙ্গে বৈরিতামূলক সম্পর্ক নেই যে বিমান ছিনতায়ের ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এটা জঙ্গি সংশ্লিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর কাজ কি না সে বিষয়ে নজর দিতে হবে। যারা নিরাপত্তা দায়িত্বে আছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
এরকম কোনো ঘটনা ঘটলে বিশ্বের অনেক দেশ বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট অবতরণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। বিমান পথ ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশ বিমানের জন্য শুভকর হবে না।
মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ বলেন, নিরাপত্তা বলয় পার হয়ে এ ধরনের ঘটনা সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে সম্ভব নয়। অস্ত্র নিয়ে যদি কেউ প্রবেশ করে থাকে তবে সেটা আপসে হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এতটা দুর্বল না যে সবার অলক্ষ্যে কেউ অস্ত্র নিয়ে বিমানে ওঠে পড়বে। তাই ঘটনার প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।



