সদরঘাটে ফিরতি যাত্রীর চাপ
স্টাফ রিপোর্টার:>>>
প্রিয়জনদের সাথে ঈদ শেষে রাজধানীতে ফেরার লড়াই শুরু হয়েছে। অসংখ্য মানুষ বিভিন্ন পথে ঢুকতে শুরু করেছে রাজধানীতে। বিশেষ করে রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনাল ছিল ফিরতি যাত্রীদের পদভারে মুখরিত।
বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর এম.মোজাম্মেল হক ইত্তেফাককে বলেন, প্রতিদিনই ফিরতি যাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে। গত মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার এই সংখ্যা ছিল প্রায় পাঁচ হাজার বেশি। শুক্রবার এই সংখ্যা বাড়বে আরো কয়েক গুণ।
ঈদুল আজহার আমেজ শেষ না হলেও ছুটি শেষ হয়েছে আরো তিন দিন আগে। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। সড়ক-রেল ও নৌপথে নির্বিঘ্নে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ।
গত সোমবার ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে ঢাকায় ফিরে কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন অনেকেই। এবার সরকারি ছুটি মাত্র তিন দিন ছিল।
যাত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে লঞ্চ আসছে সময়মতো। গতকাল বুধবার রাজধানীর সদরঘাট ঘুরে এবং বাংলাদেশ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। তবে কর্মস্থলে যোগদানের উদ্দেশ্যে যারা আগে বাড়ি ছেড়ে এসেছেন তারা অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যে রাজধানীতে ফিরতে পেরেছেন। গতকাল বুধবার বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত মোট ৬৫টি নৌযান সদরঘাটে এসে পৌঁছেছে।
বুধবার সকালে ঢাকা ফিরেছেন আমজাদ হোসেন নামে এক যাত্রী। তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে গ্রামের বাড়ি বরিশালে গিয়েছিলাম। পাঁচদিন বাড়িতে কাটিয়ে রাজধানীতে ফিরেছি। তবে যাত্রীর সংখ্যা ছিল বেশি। তারপরও ঢাকায় ফিরতে তেমন কোনো অসুবিধা হয়নি।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক (ট্রাফিক) জয়নাল আবেদিন বলেন, ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীর প্রচণ্ড চাপ ছিল। এখন শুরু হয়েছে রাজধানীতে ফিরে আসার যুদ্ধ। হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিনই ফিরে আসছে রাজধানীতে। রাজধানীতে ফেরার ভিড় শুক্রবার থেকে আরো বাড়বে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, বুধবার দক্ষিণাঞ্চল থেকে এ পর্যন্ত ৬৫টি লঞ্চ ঘাটে এসেছে। প্রতিটি লঞ্চেই যাত্রীর উপস্থিতি ছিল বেশি। গতকাল ঢাকার সদরঘাট থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে মোট ৪৫টি লঞ্চ ঘাট ত্যাগ করেছে।
নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুজ্জামান ফারুকী বলেন, নদীপথের যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য নৌ পুলিশ ভোররাত থেকেই তত্পর আছে। এবারের ঈদে নৌ-পথ ছিল অধিকতর নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক।



