১৬ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পেল জাতীয় পুরস্কার

জিএস নিউজ ডেস্কজিএস নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:৫৫ এএম, ০৮ মে ২০১৭

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্কঃ>>>>

দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্মিত সেরা মোবাইল কনটেন্ট ও উদ্ভাবনী মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার পেল ১৬টি অ্যাপ। বৃহস্পতিবার সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে ৮টি ক্যাটাগরিতে এ ১৬টি অ্যাপ পুরস্কার পেয়েছে। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কারের এ দ্বিতীয় আয়োজনের সহযোগী হলো ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড, গুগল ডেভেলপার গ্রুপ (জিডিজি) বাংলা ও জিডিজি সোনারগাঁও।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, এখন পৃথিবীতে ৫০ লাখের মতো মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন আছে। এর মধ্যে বাংলাদেশী অ্যাপ আছে সাড়ে ৩ হাজারের মতো। নিজেদের বিরাট বাজারের চাহিদা মিটিয়ে বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগটা নিতে হবে আমাদের। এর প্রস্তিুতির জন্য আমরা কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী নতুন একটি প্রকল্প দিয়েছেন, যেখানে আমরা ১০ হাজার অ্যাপ ও গেম ডেভেলপার তৈরি করব। বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০টি বিশেষায়িত ল্যাব তৈরি করব। আমাদের বিশ্বাস, এ বিনিয়োগ করে তিন থেকে চার বছরের মধ্যে অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা আয় করবেন বাংলাদেশীরা। অনুষ্ঠানে এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের ধারায় বেশ কিছু মাইলফলক পূর্ণ করেছে। তার অনেকই তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে হয়েছে। আমাদের ডেভেলপাররা বিশেষ করে তরুণ প্রযুক্তিবিদদের হাত ধরেই এ উন্নয়ন অব্যাহত থাকেব। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জিডিজি বাংলার প্রধান পরামর্শক মুনির হাসান।
সেমিনারে বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য রাখেন গুগলের কান্ট্রি মার্কেটিং কনসালটেন্ট হাশমি রাফসানজামি, এসএসএল ওয়্যারলেসের হেড অব ইঞ্জিনিয়ারিং মো. ইফতেখার আলম ইসহাক, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সহকারী অধ্যাপক কাজী হাসান রবিন, ক্লাউডির অপারেশন্স ডিরেক্টর রাজিব হাসান, এমসিসি লিমিটেডের সিনিয়র অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার আশিকুজ্জামান আশিক, ল্যান্ডনকের প্রধান নির্বাহী ইরাম এমএ রহমান, টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক ও ইউটিউবের সালমান মুক্তাদির।
পুরস্কার পেল যেসব অ্যাপ : গভর্নমেন্ট পার্টিসিপেশন ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন ব্যাট চেকার, রানার আপ প্রাইমারি স্কুল মনিটরিং। মিডিয়া ও নিউজে চ্যাম্পিয়ন ইয়ুথ অপরচুনিটিস, রানার আপ হাউ আই ওয়ার্ক। এন্টারটেইনমেন্ট ও লাইফস্টাইলে চ্যাম্পিয়ন হিরোস অব সেভেন্টি ওয়ান ও রানার আপ ল্যান্ড নক। লার্নিং অ্যান্ড এডুকেশনে চ্যাম্পিয়ন নিলিমার বায়োস্কোপ ও রানার আপ ব্রেইন ইকুয়েশন। এনভায়রনমেন্ট ও হেলথ চ্যাম্পিয়ন জলপাই ও রানার আপ বেবিটিকা। ট্যুরিজম ও কালচার ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নৌকাবাইচ, রানার আপ পথ দেখুন। ইনক্লুশন ও এনভায়রনমেন্ট ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন কলোরব, রানার আপ ওটিজম বার্তা। বিজনেস অ্যান্ড কমার্স ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন ডেসকো, রানার আপ শপ আপ।

আপনার মতামত লিখুন :