দেশজুড়ে এলআইসিটির কার্যক্রম
সরকারের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (এলআইসিটি) প্রকল্পে এ প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।
এলআইসিটির এই প্রকল্পে উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়ং (ইওয়াই)। প্রকল্পটিতে মোট ৩৪ হাজার শিক্ষার্থীকে তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তিন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এর মধ্যে এফটিএফএল কর্মসূচিতে ৪ হাজার, টপ-আপ আইটি প্রশিক্ষণে ১০ হাজার এবং আইটি সক্ষম সেবা (আইটিইএস) বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে ২০ হাজার তরুণ-তরুণীকে দক্ষ করে তোলা হবে। এলআইসিটি প্রকল্পে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির প্রশিক্ষণে অন্তত ৩০ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণও নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এসব প্রশিক্ষণের বৈশিষ্ট্য হিসেবে বলা হয়, টপ-আপ আইটি প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের মধ্য থেকে কমপক্ষে ৬০ শতাংশ তরুণ-তরুণীকে দেশ এবং বিদেশের বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেবে আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়ং। গত ১৩ জানুয়ারি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (এলআইসিটি) প্রকল্প এবং আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়ংয়ের মধ্যে এ প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এলআইসিটি প্রকল্পের যাত্রা শুরুর আগে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কম্পোনেন্টের ‘কস্ট বেনিফিট অ্যানালাইসিস’ (সিবিএ) করে বিশ্বব্যাংক। উন্নত প্রশিক্ষণের ফলে প্রকল্পের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একদিকে যেমন মেয়াদ শেষে ৩০ হাজার তরুণ-তরুণীর প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হবে, অন্যদিকে ১ লাখ ২০ হাজার তরুণ-তরুণীর অপ্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হবে।



