বিমান যাত্রী “অন্তর্বাসে” লুকিয়ে আনে ‘সোনার বার’ তুবুও শেষ রক্ষা হয়নি তাঁর!
নিউজ ডেস্ক:>>>>>>
অভিনব কায়দায় ১১টি সোনার বার লুকিয়ে বিদেশ থেকে নিয়ে আসেন তিন যাত্রী,তবে শেষ রক্ষা হয়নি। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের তল্লাশিতে ধরা পড়েন তাঁরা।সোনার বার লুকিয়ে রেখেছিল কারও মুঠোফোনে কারও জুতায়, কারওবা অন্তর্বাসে।
গতকাল রোববার সকালে ও গত শনিবার রাতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি পৃথক ঘটনায় সোনার বারসহ গ্রেপ্তার হন তিন যাত্রী । গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মোহাম্মদ মহিন উদ্দিন ও মোহাম্মদ ফারুক এবং লোহাগাড়ার মোহাম্মদ নুরুল আমিন।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তারেক মাহমুদ গতকাল রাতে ’জি এস নিউজ ২৪’ কে বলেন, গতকাল সকাল সাড়ে ছয়টায় ওমানের মাসকাট থেকে আসা ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে প্রথমে মহিন ও পরে সকাল আটটায় রিজেন্ট এয়ারওয়েজের আরেকটি ফ্লাইটে ফারুক চট্টগ্রামে নামেন।
বিমানবন্দরে পরীক্ষার সময় মহিনের অন্তর্বাস থেকে চারটি সোনার বার এবং ব্যাগ থেকে ৯৮ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়। ফারুকের জুতার ভেতর চারটি সোনার বার পাওয়া যায়।
শনিবার রাতে এয়ার এরাবিয়া ফ্লাইটে করে আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে আসা যাত্রী নুরুল আমিনের মোবাইল ফোন তল্লাশি করে তিনটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে।
তারেক মাহমুদ বলেন, তিনজনের কাছ থেকে মোট ১ কেজি ৩৮১ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। এর বাজারমূল্য প্রায় ৭০ লাখ টাকা।
এই ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সোনার বার চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের শুল্ক গুদামে জমা করা হয়েছে।



