ইতিহাস গড়া হারে হতাশ পাকিস্তান কোচ

জিএস নিউজ ডেস্কজিএস নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:০০ এএম, ০৫ জুন ২০১৭

স্পোর্টস ডেস্ক:>>>>

পাক-ভারত ক্রিকেট দ্বৈরথের ইতিহাসে এর আগে একবারই শতরানের বেশি ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। সেটি ২০০৮ সালের জুনে ঢাকায়। কিটপ্লি কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে শোয়েব মালিকদের বিপক্ষে ১৪০ রানের ইতিহাস সৃষ্টিকারী জয় পেয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনিরা।

এর প্রায় এক দশক পর আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সরফরাজ আহমেদদের ১২৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দলটির বিপক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডটি নিজেদের করে নিল বিরাট কোহলিরা।

হাইভোল্টেজ এ ম্যাচে একাধিকবার বৃষ্টি হানা দেয়ার পর ৪৮ ওভারে ৩ উইকেটে ৩১৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় ভারত। দলের হয়ে ব্যাট হাতে রোহিত শর্মা ৯১ ও অধিনায়ক বিরাট কোহলি খেলেছেন অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংস।

পরে ডাক ওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে সরফরাজদের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪১ ওভার থেকে ২৮৯ রান। যা টপকাতে গিয়ে ৩৩.৪ ওভারে ১৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান।

ভারতের হয়ে বল হাতে উমেশ যাদব ৩টি, হার্ডিক পান্ডিয়া, জাদেজা ২টি করে আর ভুবনেশ্বর নিয়েছেন ১টি উইকেট।

ভারতের কাছে এত বড় ব্যববধানের হারে দারুন হতাশ পাক কোচ মিকি আর্থার। বার্মিংহামে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসে বললেন, ‘আমি খুবই হতাশ। কেননা খুব সাধারণ কিছু ভুলের জন্যই আমরা ম্যাচটি জিততে পারিনি। যেমন, ছেলেরা কিছু ক্যাচ মিস করেছে, দলের রানিং বিটুইন উইকেট ভাল ছিল না, কিপারের কাছে থ্রো-গুলো ঠিক ছিল না। তাছাড়া আমাদের বোলিং ভেরিয়েশনেও দৈন্যতা দেখা গেছে।’

এসময় পাক কোচের কাছে জানতে চাওয়া হয় ফিট থাকা সত্ত্বেও মোহাম্মদ হাফিজকে কেন বল দেয়া হল না?- উত্তরে তিনি বললেন, আমার জানামতে হাফিজ পুরোপুরি ফিট ছিল। তারপরেও কেন তাকে বোলিং দেয়া হল না এটা আমি বলতে পারবো না।

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও- gsnewsfeature@gmail.com

আপনার মতামত লিখুন :