গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাস-লেগুনার সংঘর্ষে চালকসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে; আহত হয়েছেন আরও নয়জন।
স্টাফ রির্পোটার:
নাওজোর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. এমরান হোসেন জানান, শনিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের পশ্চিম পাশের এ দুর্ঘটনায় ছয়জন মারা যান।
নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।
তারা হলেন – শেরপুরের নালিতাবাড়ি থানার ভুরুঙ্গা গ্রামের উকিল মিয়া (৪৫), সুনামগঞ্জের সালনা থানার গোবিন্দপুর গ্রামের প্রাণনাথ দাস (৩৮), তার চাচাত ভাই বকুল চন্দ্র দাস (৩৫) ও জামালপুরের বকসিগঞ্জ থানার নিলক্ষা গ্রামের বাবুল মিয়ার স্ত্রী আমেনা বেগম (৪৫)।
এসআই এমরান বলেন, চন্দ্রা থেকে গাজীপুরগামী যাত্রীবাহী লেগুনার সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি বাসের সংঘর্ষ হলে লেগুনাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। বাসেরও সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ওই এলাকার পরিবহন শ্রমিক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. নাজির উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, টাঙ্গাইলগামী মুমু পরিবহনের একটি বাস ঘটনাস্থলে রাস্তার পাশে দঁড়িয়ে যাত্রী তুলছিল।
“এ সময় গাজীপুরগামী যাত্রীবাহী ওই লেগুনাটি সামনে থাকা অপর একটি বাসকে পাশ কাটাতে গেলে মুমু পরিবহনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।”
নিহতদের মধ্যে লেগুনার চালকও রয়েছেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
আহতরা হলেন লেগুনার যাত্রী নূর মোহাম্মদ (৩৫), বাবুল (৩৫), হাবিবুল্লাহ (৩৮), নজরুল হোসেন (১৮), আশিকুল ইসলাম (৪২), নাজমুল হক (৪০), আমিনুল ইসলাম (৪০), আসাদ (২৫) ও বিলকিস (১৬)।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক প্রণয় ভূষণ দাস বলেন, আহতদের মধ্যে দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের এখানেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিহতদের মধ্যে এক নারীসহ ছয়জনেরই লাশ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে তিনি জানান।



