সমুদ্র জলে পা ভেজালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
তুষার তুহিন, কক্সবাজার থেকে:>>>>>
মধুর চেয়ে আছে মধুর, সে এই আমার দেশের মাটি ।। আমার দেশের পথের ধূলা খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি।।… পাহাড় তারে আড়াল করে সাগর সে তার ধোয়ায় পাটি।
‘খাঁটি সোনা’ কবিতায় কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এভাবেই লিখেছেন।
‘বাংলা’ কবির কাছে খাঁটি সোনা। বাংলার প্রতিটি মানুষও খাঁটি সোনার মতোই। বাংলার প্রকৃতির কাছে যখন কেউ যান তখন তার প্রাণেও বেজে ওঠে বাংলার প্রাণ। আর সে মানুষটি যদি হন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতির কন্যা শেখ হাসিনা। তার প্রাণেও বাজে বাংলার প্রাণ… সে উদাহরণ রয়েছে অনেক।
শনিবার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ইনানীতে সমুদ্র পাড়ে গিয়ে আবারও তাই করলেন। সমুদ্র জলে পা ভেজালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খালি পায়ে হেঁটে বেড়ালেন বালুকাবেলায়। সেখানে সমুদ্রের মৃদু মৃদু ঢেউ এসে ভিজিয়ে দিলো তার পা।
মধ্য বৈশাখের মধ্য দুপুরে কাজের ফাঁকে তিনি সৈকতে হেঁটে বেড়ানোর সময়টুকু বের করে নেন। সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন দেহরক্ষী ও সফর সঙ্গীদের কয়েকজন।
ইনানী বিচে এর আগে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেঁষে ছুটে যাওয়া মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে অনুষ্ঠানের পর বিচের দিকে হাঁটতে শুরু করেন তিনি। সমুদ্রের পানি যেখানটাতে আছড়ে পড়ছিলো তার কাছাকাছি গিয়ে পায়ের জুতো খুলে রাখেন। এরপর পা ভেজান সমুদ্রের জলে। বেশ কিছুটা সময় ধরে ধীরে ধীরে হাঁটতে থাকেন আর উপভোগ করেন মৃদু মৃদু ঢেউয়ের আছড়ে পড়া। কাছাকাছি গিয়ে নিরাপত্তা কর্মীরা শামুক ঝিনুকে পা কাটতে পারে এমন শঙ্কার কথা জানিয়ে স্লিপার কিংবা স্যান্ডেল পরার পরামর্শ দেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ’কত এসেছি, কত হেঁটেছি, অভ্যেস আছে।’
এ সময় তিনি ছোটবেলা সমুদ্র পাড়ে বেড়ানোর স্মৃতিচারণ করেন বলেও আশেপাশে যারা ছিলেন তারা জানান।



