ওই ঘটনায় যশোর কোতোয়ালি থানার এসআই নাজমুল ও এএসআই হাদিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কেন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
ওই দুই পুলিশ সদস্যকে ২৫ জানুয়ারি হাই কোর্টে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে। যে যুবকের ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে, সেই আবু সাঈদকেও সেদিন হাই কোর্টে হাজির করতে বলা হয়েছে।
বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদউল্লাহর হাই কোর্ট বেঞ্চ রোববার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই রুল ও আদেশ দেয়।
সংবাদমাধ্যমে আসা খবরে বলা হয়, কোতোয়ালি থানার এসআই নাজমুল বুধবার রাতে সাঈদকে আটক করেন। তাকে থানায় নেওয়ার পর এএসআই হাদিবুর রহমান দুই লাখ টাকা দাবি করেন। সাঈদ টাকা না দেওয়ায় তাকে হাতকড়া পরিয়ে থানার মধ্যে দুই টেবিলের মাঝে মোটা একখণ্ড লাঠিতে ঝুলিয়ে পেটানো হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা ৫০ হাজার টাকা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নেন।
এসআই নাজমুল ও এএসআই হাদিবুর রহমান দুজনেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন দাবি করেছেন, বিষয়টি তার জানা নেই।
হাই কোর্টের আদেশে ওসি ইলিয়াস হোসেনকে বিষয়টি তদন্ত করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি, যশোরের এসপি, কোতোয়ালির ওসি এবং দুই পুলিশ সদস্যকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।