রোববার রাতে এসব অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।
অগ্নি নির্বাপক বাহিনীর ট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দিন জানান, রাত দুইটার দিকে বন্দর থানার কলসীর দীঘির পাড় ওমর শাহ পাড়ায়একটি গাড়ির গ্যারেজে বৈদ্যুতিক গোলোযোগ থেকে আগুন লাগে।
বন্দর ও ইপিজেড স্টেশনের পাঁচটি গাড়ি নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভোর চারটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কাঁচা গ্যারেজে একটি প্রাইভেট কার, একটি পিকআপ, চারটি রিকশা, ৪০টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং ছয়টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিল।
“আগুনে গাড়িগুলোর মধ্যে কয়েকটি পুরোপুরি আবার কোনোটি আংশিক পুড়ে গেছে। একই আগুনে পাশ্ববর্তী জাহাঙ্গীর আলমের মালিকানাধীন দুটি সেমিপাকা বসতঘরও পুড়ে গেছে,” বলেন জসিম উদ্দিন।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকার মতো বলে জানান তিনি।
রাত পৌনে তিনটার দিকে ডবলমুরিং থানার দেওয়ানহাটের আলমগীর মার্কেটে বৈদ্যুতিক গোলোযোগ থেকে আগুন লাগে।
আগুনে কয়েকটি দোকানের প্রায় নয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন।
আগ্রাবাদ ও নন্দনকানন স্টেশনের সাতটি গাড়ি নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাত চারটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এছাড়া হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর সরকারহাট এলাকার সরদ সওদাগর বাড়িতে রাত তিনটার দিকে আগুন লাগে বলে ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আবদুস সাত্তার মণ্ডল জানান।
ভোর পাঁচটার দিকে হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুনে নয়টি কাঁচা ঘর পুড়ে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
“ওই অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের পর তা জানা যাবে,” বলেন সাত্তার মণ্ডল।