আছাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “জঙ্গিদের বড় ধরনের নাশকতা করার শক্তি আছে বলে বিশ্বাস করি না। বিক্ষিপ্তভাবে এখন দুই-একটা ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।”
“এই অন্ধগোষ্ঠী, বিপথগামী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কোনো মানবতা নেই, ধর্ম নেই, তারা মানবতার শত্রু। সুতরাং যারা মসজিদে মানুষ মারে, গির্জায় মানুষ মারে, নিরীহ মানুষকে হত্যা করে, এই পাপিষ্ঠরা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা ঘটবে না- সেই নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না।”
তবে সেই ব্যাপারে পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক আছে বলে আশ্বস্ত করেন ডিএমপি কমিশনার।
গুলশানে হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনার তদন্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা পর্যাপ্ত আলামত ইতোমধ্যে জব্দ করেছি। ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। পরিকল্পনাকারী ও তাদের সহযোগীরা কোন বাসায় ছিল, কোথায় পরিকল্পনা করেছে, কার সঙ্গে করেছে সেগুলোও আমাদের অনুসন্ধানে আছে।”
‘পুরো গ্যাংকে’ গ্রেপ্তারের পর বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ সমন্বিত করে সময়মতো ওই ঘটনায় করা মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।
মোহাম্মদপুর বেরিবাঁধ এলাকায় অভিযানে নিহত গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড নুরুল ইসলাম মারজান ও সাদ্দামের সঙ্গে থাকা পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিকে শনাক্ত করতে গোয়েন্দারা কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সোমবারের অনুষ্ঠানে ‘সাইফ পাওয়ার টেক’ নামে একটি ব্যব্সায়ী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে হলি আর্টিজেন হামলায় নিহত দুই পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে ২০ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়।
নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণ করে তিনি বলেন, “সাহসিকতার সঙ্গে তারা ওই দিন জঙ্গিদের মোকাবেলা করেছে। তারা অনুপ্রেরণার উৎস, তাদের অনুপ্রেরণা নিয়েই পুলিশ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছে।”