সাত খুনের ঘটনার সময় র্যাব-১১ এর অধীনে নারায়ণগঞ্জে ছিলেন সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট এনামুল। ওই ঘটনার পর তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
তার বাড়ি মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের কাতলী গ্রামে; বাবার নাম ইমারত হোসেন মোল্লা।
পুলিশ সুপার তারিকুল বলেন, “শালিখার পুলুম গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার জন্য সকালে সে ঢাকা থেকে মাগুরায় আসে। সেই খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে এনামুলকে মাগুরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হলে বিচারক সম্পা বসু তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মাগুরার আইনি প্রক্রিয়া শেষে এই ফাঁসির আসামিকে নারায়ণগঞ্জে পাঠানো হবে বলে কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান জানান।
অপহরণের তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে মেলে লাশ। (ফাইল ছবি)
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ ডুবিয়ে দেওয়া হয় শীতলক্ষ্যা নদীতে।নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন গত ১৬ জানুয়ারি এ মামলার রায়ে নূর হোসেনসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন, যাদের মধ্যে ১৬ জনই র্যাব সদস্য। এছাড়া আরও নয়জন র্যাব সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় আদালত।
আসামিদের মধ্যে এনামুলকে নিয়ে মোট ২৪ জন এ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। ১২ জন এখনও পলাতক।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মঈনুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মাগুরায় সার্জেন্ট এনামুল কবীর গ্রেপ্তার হয়েছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। আমরা যোগাযোগ করছি।”