ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাকবক্সের খোঁজ!
আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ>>>>>
ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে বিধ্বস্ত লায়ন এয়ারের ব্ল্যাকবক্সটি ডুবুরিরা খুঁজে পেয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, তল্লাশি জাহাজ বরুনা জায়ার সঙ্গে থাকা ডুবুরি দলের সদস্য হেনড্রা সাগর তলের কাদা ও আবর্জনা সরিয়ে ব্ল্যাক বক্সটি উদ্ধার করার কথা স্থানীয় গনমাধ্যমকে বলেছেন।
তিনি আরও জানান, ‘এটি কমলা রঙের ও অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।’
যদিও খুঁজে পাওয়া ব্ল্যাকবক্সটি ককপিট ভয়েস রেকর্ডার নাকি ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কী কারণে প্রায় নতুন উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছিল, ব্ল্যাক বক্স পেলে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে জাকার্তার বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের মাত্র ১৩ মিনিট পরই টিন খনির শহর পাংকাল পিনাংয়ের পথে রওনা হওয়া উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে ফেলার পর সাগরে বিধ্বস্ত হয়। উড়োজাহাজটির কোনো যাত্রী আর বেঁচে নেই এটি এখন প্রায় নিশ্চিত।
ব্ল্যাকবক্সটি যে এলাকায় আছে বলে ধারণা করা হচ্ছিল, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা থেকে অনুসন্ধান শুরু করে ডুবুরিদের একটি দল।
এর আগে তীব্র স্রোতের কারণে ওই স্থানে অনুসন্ধান চালাতে পারেননি জানিয়ে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা প্যানেলের উপপ্রধান হারিয়ো সাতমিকো রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন- ‘আমাদের বিশ্বাস ঠিক জায়গাটিতেই অনুসন্ধান চালাচ্ছি। কারণ এখান থেকে লাইফ জ্যাকেট, প্যান্ট, ম্যাগাজিনের মতো বিভিন্ন জিনিস পাওয়া গেছে, যেগুলো বিধ্বস্ত বিমান থেকেই এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘একটি ডুবো ড্রোন একটি বস্তু শনাক্ত করেছে, যেটি উড়োজাহাজটির কাঠামোর অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
এর আগে মঙ্গলবার উদ্ধার সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ সিয়াউগি জানিয়েছিলেন, উড়োজাহাজের কাঠামোটির ভেতরে অনেক মৃতদেহ থাকতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন।
প্রসঙ্গত ক্রুসহ ১৮৯ জন উড়োজাহাজটির যাত্রীর কেউ বেঁচে নেই বলে এটি প্রায় নিশ্চিত।
গত সোমবার ভোরে জাকার্তার বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের মাত্র ১৩ মিনিট পরই পাংকাল পিনাংয়ের পথে রওনা হওয়া উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে ফেলার পর সাগরে বিধ্বস্ত হয়।



