পিলখানা ট্র্যাজেডির দিন আজ

MD Aminul IslamMD Aminul Islam
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:২৭ এএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আজ পিলখানা হত্যাকাণ্ড দিবস। ১০ বছর আগে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহীরা তথাকথিত দাবিদাওয়া আদায়ের নামে ৫৭ জন মেধাবী ও চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। একসঙ্গে এত সেনা কর্মকর্তা প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিজিবি।

২০০৯ সালের আজকের এই দিনে বিজিবি কর্মকর্তাদের রক্তে ভেসে গিয়েছিল পিলখানা। পিলখানায় সাবেক বিডিআর ও বর্তমান বিজিবি সদর দপ্তরে ঘটে মর্মান্তিক নৃশংস হত্যাকাণ্ড। সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে একদল বিদ্রোহী তৎকালীন বিডিআর’র সৈনিক দরবার হলে চলমান বার্ষিক দরবারে ঢুকে যায়। অস্ত্র তাক করা হয় মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের বুকে।
এভাবেই শুরু হয় ইতিহাসের সেই নৃশংস ঘটনার। বিডিআরের বিদ্রোহী সৈনিকরা সেনা কর্মকর্তাদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে তাদের পরিবারকে জিম্মি করে রাখে। পুরো পিলখানায় এক ভীতিকর বীভৎস ঘটনার সৃষ্টি করে তারা।

বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার পিলখানায় বিজিবি সদর দফতরসহ সব রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় খতমে কোরআন, বিজিবির সব মসজিদে এবং বিওপি পর্যায়ে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে।

এছাড়া সকাল ৯টায় সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব এবং বিজিবি মহাপরিচালক (একত্রে) শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পন্তবক অর্পণ করবেন।

হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ের পর গত বছর হাইকোর্টে আপিলের রায়ে ১শ’ ৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখা হয়। বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় আরো ১শ’ ৯৪ জনকে এবং খালাস দেওয়া হয় ২৯ জনকে।

প্রতিবারের মতো নিহতদের স্মরণে এবারও নানা কর্মসূচি পালন করবে বিজিবি ও সেনাবাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন :