ঝিনাইদহে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে আরো একটি বাড়ি ঘেরাও !

MD Aminul IslamMD Aminul Islam
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:৪১ এএম, ০৭ মে ২০১৭

স্টাপ রিপোট:>>>>>>

ঝিনাইদহ সদরে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে আরো একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্রনাথ সরকার পরিবর্তন ডটকমকে জানান, উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের লেবুতলা গ্রামের সরাফত হোসেনের বাড়িটি জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে রোববার সকাল থেকে ঘিরে রাখা হয়েছে। জঙ্গি আস্তানা থেকে বাড়ির মালিককে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে মহেশপুরে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিসিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা।

উপজেলার বজ্রাপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের ওই বাড়িটি রোববার সকাল ৬টার দিকে ঘিরে রাখার পর আত্মঘাতী হামলায় ২ জঙ্গি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমেদ কবীর। এ ছাড়া জঙ্গিদের আত্মঘাতী বোমা হামলায় কাউন্টার টেরোরিজমের এডিশনাল এসপি নাজমুল হাসান, এসআই মুজিবুর রহমান ও ডিএসবির এসআই মহসীন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসি জানান, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়িটি ঘিরে রাখার পর জঙ্গিরা পর পর চারটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। এ ছাড়া কাউন্টার টেরোরিজমের এডিশনাল এসপি নাজমুল হাসান, এসআই মুজিবুর রহমান ও ডিএসবির এসআই মহসীন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় একতলা ওই বাড়ির মালিক জহুরুল ইসলাম, তার ছেলে জসিম ও ভাড়াটিয়া আলমসহ চারজনকে আটক করা হয়। সাংবাদিকদের নিরাপদ দূরত্বে অর্থাৎ ২০০ গজ দূরে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া আশপাশের বাড়িতে বসবাসকারীদেরও নিরাপদ দূরত্বে থাকতে বলা হয়েছে। জঙ্গি আস্তানার আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

এর আগে ২২ এপ্রিল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটি গ্রামের ঠনঠনেপাড়ায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা। অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন সাউথ প’ বা দক্ষিণের থাবা। প্রায় ৪ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের অভিযানে ওই জঙ্গি আস্তানা থেকে বিস্ফোরক তৈরি রাসায়নিক ভর্তি ২০টি ড্রাম, একটি সেভেন পয়েন্ট সিক্স বোরের পিস্তল, একটা ম্যাগাজিন, সাত রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পাঁচটি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়।

অপারেশন ‘সাউথ প’ সমাপ্ত ঘোষণার পর এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমেদ জানান, বাড়িটিকে জঙ্গিদের বোমা তৈরির কারখানা বলা যেতে পারে। এ বাড়িতে তিন-চার জন জঙ্গি ছিল। তারা আগেই পালিয়ে গেছে। বাড়িটিতে জঙ্গি সংগঠনগুলোর বিভাগীয় পর্যায়ের লোকজন আসা যাওয়া করত বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :