রাস্তায় চলাচলে হয়রানিতে বিশেষ খাতের সেবাদাতারা
সাধারণ ছুটির মধ্যে সেবা দিতে গিয়ে নানাভাবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানির মুখে পড়ছেন বিশেষ সেবাখাতের কর্মীরা। সবার পরিবহণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করেনি প্রতিষ্ঠানগুলো। ব্যক্তিগত সুরক্ষার ব্যবস্থা করলেও তা সীমিত। তাই করোনায় সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই কাজ করতে হচ্ছে অনেককে।
মায়ের ওষুধ ফুরিয়ে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতেই হবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে তাই কুরিয়ার সার্ভিসই ভরসা।
মানুষের জরুরি চাহিদা মেটাতে পার্সেল, ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য পণ্য আনা নেয়া বহাল রেখেছে কুরিয়ার সার্ভিসগুলো। প্রতিদিনই বিভিন্ন মানুষের কাছাকাছি আসতে হচ্ছে। কিন্তু কোন সুরক্ষা সামগ্রীর ব্যবহার হচ্ছে না ।
দোকান পাট, শপিংমল বন্ধ। তাই অনলাইনে নির্ভরতা বেড়েছে সাধারণ মানুষের। প্রতিষ্ঠানগুলো আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি পণ্য হোম ডেলিভারি দিচ্ছে। কিন্তু সেখানেও ব্যক্তিগত সুরক্ষা, যাতায়াতের ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবাদাতারা।
সিন্দাবাদ ডট কমের সিইও জিশান কিংশুক হক বলেন, কর্মীরা সাধারণত পিপিই প্রেই যায়। আমাদের কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় ডেলিভারি দেয়ার সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হেনস্থা হয়েছে।কোঠাও কোথাও তাদের মারধরও করা হয়েছে।
সব বন্ধর মধ্যেও ব্যাংক খোলা। তাই কর্মীদেরও আসতে হচ্ছে। ঢাকায় সামাজিক দুরত্ব মোটামুটি মানা হলেও, বিভাগীয় ও জেলা শহরে অল্প সময়ে বেশি মানুষের চাপ সামাল দিতে হচ্ছে কর্মীদের।
এবিবি’র সাধারণ সম্পাদক রাহেল আহমেদ বলেন, আমাদের সহকর্মীরা কিন্তু স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের সহকর্মীদের কিন্তু যাতায়াতে অফিস থেকে গাড়ি দিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে তাদের কিন্তু যাতায়াতের সময় প্রায়ই আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে হেনস্তা হতে হয়।
এর আগে ব্যাংক কর্মীরা যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানি স্বীকার না হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
জিএসনিউজ/এমএইচএম/এএএন



